Concept-ধারণা
Doctrine-মতবাদ
Proportional-সমানুপাতিক
Administrative Law-প্রশাসনিক আইন
Administration- প্রশাসন, শাসন কার্য
Legitimate-বৈধ, আইন সম্মত
Noteworthy-উল্লেখযোগ্য, লক্ষণীয়
Promise-প্রতিশ্রুতি, ওয়াদা, অঙ্গীকার, শপথ
Procedure-প্রক্রিয়া, কার্যপ্রনালি, কার্য পরিচালনার ধারা
Act-আইন
Fairly-নিরপেক্ষভাবে
Implement-বাস্তবায়ন
Implementation-বাস্তবায়ন
Interfere-হস্তক্ষেপ করা
Statutory-সংবিধিবদ্ধ, আইন বলে নির্দিষ্ট
Treat-আচরণ করা
Authority-কর্তৃত্ব, বিধিসঙ্গত ক্ষমতা
Adverse-প্রতিকূল
Affect-অনুভূতি
Judicature-আদালত, বিচারাধিকার, বিচারপতির পদ
Judicial-বিচারসংক্রান্ত
Implicit-অন্তর্নিহিত
Implicate-সংশ্লিষ্ট করা
Privilege-বিশেষ অধিকার
Practice-অনুশীলন, চর্চা
Applicant-দরখাস্তকারী, আবেদনকারী
Reasonable-যৌক্তিক, যুক্তিসঙ্গত
Citizen-নাগরিক
Context-প্রসঙ্গ, প্রেক্ষাপটে
Natural Justice-ন্যায়বিচার
Appearance-উপস্থিতি
Wherein-যাহাতে
Allow-মঞ্জুরি, অনুমতি
Consult-পরামর্শ করা
Decision-সিদ্ধান্ত, ফয়সালা
Review-পর্যালোচনা, পুনর্বিবেচনা
Afford-সামর্থ
Base-ভিত্তি
Instance-উদাহরণ
Satisfy-পরিতৃপ্ত করা
Foundation-ভিত্তি
Claim-দাবি, দাবি করা
Consider-বিবেচনা করা
Grant-মঞ্জুর
Relief-উপশম, ত্রাণ
Saturday, 11 November 2017
সহজ উপায়ে কিভাব ব্যারিস্টার হওয়া যায়
নেকেই ইনবক্সসহ বিভিন্নভাবে ব্যারিস্টারি
কীভাবে করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান। তাদের কথা মাথায় রেখেই
ব্যারিস্টারি বিষয়ে বিস্তারিত এই পোস্টটি করা। তাই অনুরোধ থাকবে পড়া শেষে
ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যকেও জানার সুযোগ দিন।- এডমিন
উত্তরঃ-
ব্যারিস্টার হতে চান?
ব্যারিস্টার অ্যাট ল-র সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে বার অ্যাট ল। একজন ব্যারিস্টার হিসেবে স্বীকৃত হওয়ার জন্য ৯ মাসের একটি বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্স (বিপিটিসি) করতে হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের আইনজীবীদের বলা হয় অ্যাডভোকেট। আমেরিকাতে আইনজীবীকে বলা হয় অ্যাটর্নি। তেমনি করে অস্ট্রেলিয়ার আইনজীবীকে বলা হয় ব্যারিস্টার। এভাবে বিভিন্ন দেশে আইনজীবীকে বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়। আমাদের ঔপনিবেশক দেশ যুক্তরাজ্য হবার কারণে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ সত্ত্বেও ঔপনিবেশক মন স্বাধীন না হবার কারণে বাংলাদেশে ব্যারিস্টারকে অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখা হয়।
যোগ্যতাঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনের ওপর অনার্স ও মাস্টার্স করেও কেউ সরাসরি ইংল্যান্ডে প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন না। অর্থাৎ ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় এবং তাদের অধিভুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেউ যদি অনার্স পাস করে তবে তাকে বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হতে হলে আবার নতুন করে কোনো ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে এলএলবি বা এলএলএম পাস করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা একটা বিশেষ সুবিধা পান, তা হলো – তাদের অনার্সের মোট ১২টি বিষয়ের মধ্যে তিনটি বিষয় কম পড়লেই চলে।
এ কোর্সে প্রতিবছরই পাঁচ হাজারের মতো আবেদন জমা পড়ে। শিক্ষাগত যোগ্যতা, ব্যক্তিগত দক্ষতা, ভাষার দখল, সাংগঠনিক দক্ষতা এসব বিষয় বিবেচনায় এনে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা হয়। সম্প্রতি আইইএলটিএস স্কোরও দেখা হচ্ছে। আবেদনের ক্ষেত্রে স্কোর ৭.৫ বাধ্যতামূলক হলেও অনেক ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়।
দেশে বসেই ইংল্যান্ডের ডিগ্রিঃ
আমাদের দেশে ব্রিটিশ স্কুল অব ল, লন্ডন কলেজ অব লিগ্যাল স্টাডিজ, ভূঁইয়া একাডেমী, নিউ ক্যাসেল ল একাডেমী এই চারটি টিউশন সার্ভিস প্রোভাইডার বার অ্যাট ল পড়ালেখার বিষয়ে সহযোগিতা করে থাকে।
এইচএসসি বা সমমানের ডিগ্রিধারী যে কেউ ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় স্বীকৃত তিন-চার বছর মেয়াদি এলএলবি অনার্স কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি মিলে জিপিও-৫ থাকতে হবে। ভর্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই। শিক্ষার্থীরা ইংল্যান্ডের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ও একই সময়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকেন। পরীক্ষা নেওয়া হয় ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে। ইংল্যান্ডেই এসব উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়। এভাবে দেশে বসেই ইংল্যান্ডের ডিগ্রি পেতে পারেন। এলএলবি করার পর ইংল্যান্ডে সরাসরি বার ভোকেশনাল কোর্সে ভর্তি হওয়া যাবে।
ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন আর ইউনিভার্সিটি অব নর্দামব্রিয়া দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে ব্রিটিশ ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ দেয়। তবে ঘরে বসে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে আইন বিষয়ে অনার্স করা গেলেও নয় মাসের বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সের জন্য ইংল্যান্ডে যেতেই হবে।
কোথায় পড়বেন?
বার অ্যাট ল কোর্সটি ইংল্যান্ডের চারটি ইন’স-এর যেকোনো একটি থেকে করতে হয়। অর্থাৎ লিন্কনস্ ইন, গ্রেইস ইন, ইনার টেম্পল ও মিডল টেম্পল এই চারটি ইন’স এর মধ্যে যেকোনো একটি আপনাকে বেছে নিতে হবে।
সনদ ইন থেকে দেওয়া হলেও কোনো একটি ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়াশোনা করতে হয়। ইন’স অব কোর্ট, স্কুল অব ল, কলেজ অব ল, বিপিপি ল স্কুল, নটিংহ্যাম, নর্দামব্রিয়া, ব্রিস্টল, কার্ডিফ, ম্যানচেস্টার মেট্রোপলিটন এই ৯টি প্রতিষ্ঠানে বার অ্যাট ল করা যায়। এর যেকোনো একটিতে পড়তে পারেন। সাধারণত আগস্ট-সেপ্টেম্বরে বার অ্যাট ল কোর্সে ভর্তি করা হয়।
খরচাপাতিঃ
ব্যারিস্টারি পড়া বেশ ব্যয়বহুল। প্রতিবছরই এ খরচ বাড়ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে টিউশন ফি কিছুটা কম-বেশি হয়ে থাকে। ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রিটা যদি ঘরে বসে নিতে চান, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি ও বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি বাবদ কমপক্ষে ১৯ থেকে ২০ লাখ টাকা লাগবে। ইংল্যান্ডে গিয়ে নিতে চাইলে শুধু টিউশন ফি বাবদ লাগবে ২৬ থেকে ৫৬ লাখ।
বার ভোকেশনাল কোর্সের বর্তমান টিউশন ফি ৯ থেকে ১৫ হাজার পাউন্ড। বাংলাদেশি টাকায় এ ফি ১০ থেকে ১৬ লাখ টাকা। বার অ্যাট ল কোর্সটির মেয়াদ ৯ মাস হলেও এটি শেষ করতে এক বছর লেগে যায়। তাই এর টিউশন ফির সঙ্গে এক বছরের থাকা-খাওয়ার খরচ হিসাব করতে হবে। এ খরচ নির্ভর করে জীবনযাত্রার ওপর। এই এক বছরে থাকা-খাওয়া বাবদ পাঁচ থেকে আট লাখ টাকা গুনতে হবে।
Bar at Law সম্পন্ন করতে সম্ভাব্য ব্যয় হতে পারে ৬৩ লাখ থেকে এক কোটি টাকার মতো।
খণ্ডকালীন কাজের সুযোগঃ
ইংল্যান্ডে যাঁরা ব্যারিস্টারি পড়তে যান, পড়াশোনার পাশাপাশি তাঁদের খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ রয়েছে। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্রছাত্রীরা নতুন নিয়মে সপ্তাহে ১০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন। যদিও এ সময় পড়ার চাপে খণ্ডকালীন কাজ করা যায় না। বার অ্যাট ল করার সময় প্রচুর পড়াশোনা করতে হয়। তাই সুযোগ থাকলেও খণ্ডকালীন কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, কেউ যদি ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করে বাংলাদেশে আইন পেশায় নিয়োজিত হতে চায় সেক্ষেত্রে তাকে বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় পাশ করে সনদ নিতে হবে। এর আগে যদি কেউ ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করত, সে সরাসরি বাংলাদেশে আইন পেশায় নিয়োজিত হতে পারত। কিন্তু এখন সেই নিয়মের পরিবর্তন করা হয়েছে। বাংলাদেশে গ্র্যাজুয়েশন কোর্স করা যায় এমন দুটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হলো-
উত্তরঃ-
ব্যারিস্টার হতে চান?
ব্যারিস্টার অ্যাট ল-র সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে বার অ্যাট ল। একজন ব্যারিস্টার হিসেবে স্বীকৃত হওয়ার জন্য ৯ মাসের একটি বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্স (বিপিটিসি) করতে হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের আইনজীবীদের বলা হয় অ্যাডভোকেট। আমেরিকাতে আইনজীবীকে বলা হয় অ্যাটর্নি। তেমনি করে অস্ট্রেলিয়ার আইনজীবীকে বলা হয় ব্যারিস্টার। এভাবে বিভিন্ন দেশে আইনজীবীকে বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়। আমাদের ঔপনিবেশক দেশ যুক্তরাজ্য হবার কারণে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ সত্ত্বেও ঔপনিবেশক মন স্বাধীন না হবার কারণে বাংলাদেশে ব্যারিস্টারকে অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখা হয়।
যোগ্যতাঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনের ওপর অনার্স ও মাস্টার্স করেও কেউ সরাসরি ইংল্যান্ডে প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন না। অর্থাৎ ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় এবং তাদের অধিভুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেউ যদি অনার্স পাস করে তবে তাকে বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হতে হলে আবার নতুন করে কোনো ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে এলএলবি বা এলএলএম পাস করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা একটা বিশেষ সুবিধা পান, তা হলো – তাদের অনার্সের মোট ১২টি বিষয়ের মধ্যে তিনটি বিষয় কম পড়লেই চলে।
এ কোর্সে প্রতিবছরই পাঁচ হাজারের মতো আবেদন জমা পড়ে। শিক্ষাগত যোগ্যতা, ব্যক্তিগত দক্ষতা, ভাষার দখল, সাংগঠনিক দক্ষতা এসব বিষয় বিবেচনায় এনে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা হয়। সম্প্রতি আইইএলটিএস স্কোরও দেখা হচ্ছে। আবেদনের ক্ষেত্রে স্কোর ৭.৫ বাধ্যতামূলক হলেও অনেক ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়।
দেশে বসেই ইংল্যান্ডের ডিগ্রিঃ
আমাদের দেশে ব্রিটিশ স্কুল অব ল, লন্ডন কলেজ অব লিগ্যাল স্টাডিজ, ভূঁইয়া একাডেমী, নিউ ক্যাসেল ল একাডেমী এই চারটি টিউশন সার্ভিস প্রোভাইডার বার অ্যাট ল পড়ালেখার বিষয়ে সহযোগিতা করে থাকে।
এইচএসসি বা সমমানের ডিগ্রিধারী যে কেউ ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় স্বীকৃত তিন-চার বছর মেয়াদি এলএলবি অনার্স কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি মিলে জিপিও-৫ থাকতে হবে। ভর্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই। শিক্ষার্থীরা ইংল্যান্ডের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ও একই সময়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকেন। পরীক্ষা নেওয়া হয় ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে। ইংল্যান্ডেই এসব উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়। এভাবে দেশে বসেই ইংল্যান্ডের ডিগ্রি পেতে পারেন। এলএলবি করার পর ইংল্যান্ডে সরাসরি বার ভোকেশনাল কোর্সে ভর্তি হওয়া যাবে।
ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন আর ইউনিভার্সিটি অব নর্দামব্রিয়া দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে ব্রিটিশ ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ দেয়। তবে ঘরে বসে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে আইন বিষয়ে অনার্স করা গেলেও নয় মাসের বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সের জন্য ইংল্যান্ডে যেতেই হবে।
কোথায় পড়বেন?
বার অ্যাট ল কোর্সটি ইংল্যান্ডের চারটি ইন’স-এর যেকোনো একটি থেকে করতে হয়। অর্থাৎ লিন্কনস্ ইন, গ্রেইস ইন, ইনার টেম্পল ও মিডল টেম্পল এই চারটি ইন’স এর মধ্যে যেকোনো একটি আপনাকে বেছে নিতে হবে।
সনদ ইন থেকে দেওয়া হলেও কোনো একটি ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়াশোনা করতে হয়। ইন’স অব কোর্ট, স্কুল অব ল, কলেজ অব ল, বিপিপি ল স্কুল, নটিংহ্যাম, নর্দামব্রিয়া, ব্রিস্টল, কার্ডিফ, ম্যানচেস্টার মেট্রোপলিটন এই ৯টি প্রতিষ্ঠানে বার অ্যাট ল করা যায়। এর যেকোনো একটিতে পড়তে পারেন। সাধারণত আগস্ট-সেপ্টেম্বরে বার অ্যাট ল কোর্সে ভর্তি করা হয়।
খরচাপাতিঃ
ব্যারিস্টারি পড়া বেশ ব্যয়বহুল। প্রতিবছরই এ খরচ বাড়ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে টিউশন ফি কিছুটা কম-বেশি হয়ে থাকে। ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রিটা যদি ঘরে বসে নিতে চান, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি ও বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি বাবদ কমপক্ষে ১৯ থেকে ২০ লাখ টাকা লাগবে। ইংল্যান্ডে গিয়ে নিতে চাইলে শুধু টিউশন ফি বাবদ লাগবে ২৬ থেকে ৫৬ লাখ।
বার ভোকেশনাল কোর্সের বর্তমান টিউশন ফি ৯ থেকে ১৫ হাজার পাউন্ড। বাংলাদেশি টাকায় এ ফি ১০ থেকে ১৬ লাখ টাকা। বার অ্যাট ল কোর্সটির মেয়াদ ৯ মাস হলেও এটি শেষ করতে এক বছর লেগে যায়। তাই এর টিউশন ফির সঙ্গে এক বছরের থাকা-খাওয়ার খরচ হিসাব করতে হবে। এ খরচ নির্ভর করে জীবনযাত্রার ওপর। এই এক বছরে থাকা-খাওয়া বাবদ পাঁচ থেকে আট লাখ টাকা গুনতে হবে।
Bar at Law সম্পন্ন করতে সম্ভাব্য ব্যয় হতে পারে ৬৩ লাখ থেকে এক কোটি টাকার মতো।
খণ্ডকালীন কাজের সুযোগঃ
ইংল্যান্ডে যাঁরা ব্যারিস্টারি পড়তে যান, পড়াশোনার পাশাপাশি তাঁদের খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ রয়েছে। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্রছাত্রীরা নতুন নিয়মে সপ্তাহে ১০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন। যদিও এ সময় পড়ার চাপে খণ্ডকালীন কাজ করা যায় না। বার অ্যাট ল করার সময় প্রচুর পড়াশোনা করতে হয়। তাই সুযোগ থাকলেও খণ্ডকালীন কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, কেউ যদি ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করে বাংলাদেশে আইন পেশায় নিয়োজিত হতে চায় সেক্ষেত্রে তাকে বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় পাশ করে সনদ নিতে হবে। এর আগে যদি কেউ ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করত, সে সরাসরি বাংলাদেশে আইন পেশায় নিয়োজিত হতে পারত। কিন্তু এখন সেই নিয়মের পরিবর্তন করা হয়েছে। বাংলাদেশে গ্র্যাজুয়েশন কোর্স করা যায় এমন দুটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হলো-
হাইকোর্টের আইনজীবী হওয়ার পদ্ধতি
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অ্যাডভোকেট হিসাবে আইন চর্চা করার জন্য-
প্রাথমিক শর্তাবলী 1. বার কাউনসিল পরীক্ষার মাধ্যমে যে কোন বার এসোসিয়েশনে অ্যাডভোকেট (সাধারণ অ্যাডভোকেটের তালিকাভুক্তিকরণ) হিসাবে তালিকাভুক্তহতে হবে। 2. নিম্নোক্ত যে কোন একটি যোগ্যতা থাকতে হবে :-
প্রাথমিক শর্তাবলী 1. বার কাউনসিল পরীক্ষার মাধ্যমে যে কোন বার এসোসিয়েশনে অ্যাডভোকেট (সাধারণ অ্যাডভোকেটের তালিকাভুক্তিকরণ) হিসাবে তালিকাভুক্তহতে হবে। 2. নিম্নোক্ত যে কোন একটি যোগ্যতা থাকতে হবে :-
A. বাংলাদেশের কোন নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছর প্র্যাকটিস করতে হবে;
অথবা, B. আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী এবং অ্যাডভোকেট হিসাবে বিদেশের কোন
আদালতে সরকারের অফিসিয়াল গেজেটে নির্দেশিত পন্থায় প্র্যাকটিস করেছেন; অথবা,
C. যুক্তরাজ্যের বারে ব্যারিস্টার হিসাবে Call পেয়েছেন অথবা কোন স্বীকৃত
বিশ্ববিদ্যালয় থেকেLL.M এ 2nd class (50%mark) পেয়েছেন এবং সুপ্রীম কোর্টের
একজন সিনিয়র আইনজীবীর চেম্বারে কমপক্ষে ২ বছর কাছ করেছেন; অথবা, D. বিচার
বিভাগীয় অফিসার হিসাবে অন্ততঃ দশ বছর কাজ করেছেন। এরূপ অফিসারকে লিখিত
পরীক্ষায় অংশগ্রণেরআবশ্যকতা নেই।
দ্বিতীয় পর্যায়ের শর্তাবলীঃ
1. কোন অ্যাডভোকেট যিনি উপরিউক্ত শর্তাবলী পূরন করেছেন তাকে নির্দেশিত পন্থায় হাইকোর্ট বিভাগে আইন চর্চা করার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানাতে হবে। আবেদন পত্র বার কাউনসিলে জমা দিতে হবে এবং উক্ত আবেদনপত্রে নিম্নোক্ত সংযুক্তিথাকবেঃ A. সংশ্লিষ্ট বার এসোসিয়েশন হতে একটি সনদ এই মর্মে যে, উক্ত অ্যাডভোকেট তার বার এসোসিয়েশনের নিয়মিতসদস্য এবং আইন চর্চাকরেছেন ২ বছর , অথবা , যুক্তারাজ্যের বারেতাকে ব্যারিস্টার হিসাবে Call করেছে এই মর্মে একটি সনদ, অথবা কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে LL.M এ উচ্চতর দ্বিতীয় বিভাগ অর্জন করেছে; এবং B. কোর্টের একজন সিনিয়র অ্যাডভোকেটের চেম্বারে কমপক্ষে দুই বছর কাজ করেছেন; এবং C. দেওয়ানী বা ফৌজদারী বা উভয় মামলা যা নিয়ে উক্ত অ্যাডভোকেট সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থিত হয়েছে এরূপ ২৫টি মামলার তালিকা; এবং D. হাইকোর্টের অনুমোদন ফি ৫,০০০ টাকা প্রদানের রশিদ কিংবা ব্যাংক ড্রাফট; এবং E. উক্ত অ্যাডভোকেটের ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। 2. প্রত্যেক আবেদনকারীকে Bangladesh Legal Paractitioners and Bar Council Rules, 1972 (65(2)) অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণপূর্বক পাশ করতে হবে।
দ্বিতীয় পর্যায়ের শর্তাবলীঃ
1. কোন অ্যাডভোকেট যিনি উপরিউক্ত শর্তাবলী পূরন করেছেন তাকে নির্দেশিত পন্থায় হাইকোর্ট বিভাগে আইন চর্চা করার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানাতে হবে। আবেদন পত্র বার কাউনসিলে জমা দিতে হবে এবং উক্ত আবেদনপত্রে নিম্নোক্ত সংযুক্তিথাকবেঃ A. সংশ্লিষ্ট বার এসোসিয়েশন হতে একটি সনদ এই মর্মে যে, উক্ত অ্যাডভোকেট তার বার এসোসিয়েশনের নিয়মিতসদস্য এবং আইন চর্চাকরেছেন ২ বছর , অথবা , যুক্তারাজ্যের বারেতাকে ব্যারিস্টার হিসাবে Call করেছে এই মর্মে একটি সনদ, অথবা কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে LL.M এ উচ্চতর দ্বিতীয় বিভাগ অর্জন করেছে; এবং B. কোর্টের একজন সিনিয়র অ্যাডভোকেটের চেম্বারে কমপক্ষে দুই বছর কাজ করেছেন; এবং C. দেওয়ানী বা ফৌজদারী বা উভয় মামলা যা নিয়ে উক্ত অ্যাডভোকেট সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থিত হয়েছে এরূপ ২৫টি মামলার তালিকা; এবং D. হাইকোর্টের অনুমোদন ফি ৫,০০০ টাকা প্রদানের রশিদ কিংবা ব্যাংক ড্রাফট; এবং E. উক্ত অ্যাডভোকেটের ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। 2. প্রত্যেক আবেদনকারীকে Bangladesh Legal Paractitioners and Bar Council Rules, 1972 (65(2)) অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণপূর্বক পাশ করতে হবে।
আইনজীবী হিসাবে তালিকা ভূক্তির নিয়ম
★তালিকাভূক্ত হওয়ার যোগ্যতাঃ
১) একজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্ত হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। ২) বাংলাদেশের কোন অনুমদিত বিশ্ববিদ্যালয় হতে অথবা বিদেশী কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে ডিগ্রীধারী হতে হবে। ৩) আইন বিষয়ে ডিগ্রি সম্পন্নকারী কোন বাংলাদেশী নাগরিক বার কাউন্সিলে এ্যাডভোকেট তালিকাভূক্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশের নিয়ম অনুযায়ী কোন সিনিয়রের সাথে শিক্ষানবীশ হিসাবে কাজ করার যোগ্য হবেন। শিক্ষানবীশের সিনিয়র হবেন এমন একজন আইনজীবী যিনি কমপক্ষে ১০ (দশ) বছর আইনজীবী হিসাবে পেশাগত কার্য করছেন। তবে একজন সিনিয়র প্রতি বছর ৪ জন বেশি শিক্ষানবীশ গ্রহন করতে পারেন না। ৪) এল.এল.বি ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার পরই শিক্ষানবীশকাল শুরু করা যায়। শিক্ষানবীশকাল শুরুর পর একজন শিক্ষানবীশকে তাহার সিনিয়রের সাথে শিক্ষানবীশ চুক্তি (Contract of Pupillage) সম্পাদন করতে হয় এবং উক্ত চুক্তিপত্রটি বার কাউন্সিল নির্ধারিত একটি রেজিষ্ট্রেশন ফরম পূরন করে সংযুক্তি হিসাবে চুক্তি করার ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিল সচিব বরাবর দাখিল করতে হয়।
১) একজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্ত হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। ২) বাংলাদেশের কোন অনুমদিত বিশ্ববিদ্যালয় হতে অথবা বিদেশী কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে ডিগ্রীধারী হতে হবে। ৩) আইন বিষয়ে ডিগ্রি সম্পন্নকারী কোন বাংলাদেশী নাগরিক বার কাউন্সিলে এ্যাডভোকেট তালিকাভূক্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশের নিয়ম অনুযায়ী কোন সিনিয়রের সাথে শিক্ষানবীশ হিসাবে কাজ করার যোগ্য হবেন। শিক্ষানবীশের সিনিয়র হবেন এমন একজন আইনজীবী যিনি কমপক্ষে ১০ (দশ) বছর আইনজীবী হিসাবে পেশাগত কার্য করছেন। তবে একজন সিনিয়র প্রতি বছর ৪ জন বেশি শিক্ষানবীশ গ্রহন করতে পারেন না। ৪) এল.এল.বি ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার পরই শিক্ষানবীশকাল শুরু করা যায়। শিক্ষানবীশকাল শুরুর পর একজন শিক্ষানবীশকে তাহার সিনিয়রের সাথে শিক্ষানবীশ চুক্তি (Contract of Pupillage) সম্পাদন করতে হয় এবং উক্ত চুক্তিপত্রটি বার কাউন্সিল নির্ধারিত একটি রেজিষ্ট্রেশন ফরম পূরন করে সংযুক্তি হিসাবে চুক্তি করার ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিল সচিব বরাবর দাখিল করতে হয়।
★রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদনঃ
রেজিষ্ট্রেশন ফরমের সাথে যা যা প্রদান করতে হয়ঃ একজন শিক্ষানবীশকে আইনজীবী তালিকাভুক্তির জন্য বার কাউন্সিল নির্ধারিত রেজিষ্ট্রেশন ফরম পূরন করে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করতে হয়। বর্তমানে পে-অডার, ডি.ডি আথবা বার কাউন্সিল প্রদত্ত পে-স্লিপের মাধ্যমে ৪০০/- সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট শাখায় জমা দিয়ে উক্ত স্লিপের একটি অংশ বার কাউন্সিলে জমা দিয়ে বার কাউন্সিল থেকে সংগ্রহ করা যায়।
★রেজিষ্ট্রেশন ফরমের সাথে নিন্মোক্ত কাগজাদি সংযুক্ত করতে হয়-
ক) সিনিয়রের সাথে সম্পাদিত শিক্ষানবীশ চুক্তি পত্রটির (Contract of Pupillage) সমর্থনে ১ম শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা নোটারি পাবলিকের সামনে একটি হলফনামা (২০০/- টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে) সম্পাদন করতে হয়। [Rule-60,Sub-Rule-3(ii)]
খ) সিনিয়র কর্তৃক সত্যায়িত ৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
গ) রেজিস্ট্রেশন ফরম উত্তোলনের জন্য প্রদত্ত ৪০০/- টাকা ফি এর বার কাউনিাসল কপি বা পে-অর্ডার বা ডি.ডি।
ঘ) রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ প্রদত্ত ৮০০/- টাকার পে-অর্ডার, ডি.ডি অথবা বার কাউন্সিলের পে-স্লিপের অংশ।
ঙ) সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও মার্কশীটের ফটোকপি (সিনিয়র কর্তৃক সত্যায়িত)।
★নোট:
রেজিস্ট্রেশন ফরম বার কাউন্সিলে জমা দেয়ার পূর্বে সংযুক্ত কাগজাদি সহ ১টি ফটোকপি করে জমা গ্রহনকারি অফিসার থেকে “রিসিভ করা হয়েছে” মর্মে সাক্ষর করিয়া নিজের সংগ্রহে রাখতে হবে।
বার কাউন্সিল পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য আবেদনপত্র: শিক্ষানবীশ চুক্তির (Contract of Pupillage) মেয়াদ ৬ মাস পূর্ণ হলে একজন শিক্ষানবীশ আইনজীবী তালিকা ভুক্তির পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য আবেদন করতে পারে। উক্ত ফরমটির নাম “Application for Enrolment as Advocate” [Form-A] যা বার কাউন্সিলের আদেশরুল–৫৮ অনুযায়ী সম্পাদন করতে হয়। ফরমটি বর্তমানে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হতে বার কাউন্সিলের অনুকূলে পে-অর্ডার, ডি.ডি অথবা পে-স্লিপের মাধ্যমে ৩৫০/-টাকা জমা করে সংগ্রহ করা যায়।
★উক্ত ফরমটি পূরন করে নিম্ন বর্নিত কাগজাদি সহ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর জমা দিতে হয়-
ক) রুল-৬০ অনুযায়ি ফরম-তে ৬ মাস শিক্সানবীশকাল সমাপ্ত হইয়াছে এই মর্মে সিনিয়র (Pupil Master) প্রদত্ত সার্টিফিকেট। সার্টিফিকেটটি কার্টিজ পেপারে প্রদত্ত হয়।
খ) কার্টিজ পেপারে ৫টি দেওয়ানী ও ৫টি ফৌজদারী মামলার তালিকা যে মামলাগুলো পরিচালনার সময় সিনিয়রের সাথে শিক্ষানবীশ আইনজীবী উপস্হিত ছিলেন।
গ) ২ জন বিশিষ্ট ব্যাক্তি কর্তৃক প্রদত্ত চারিত্রিক প্রশংসাপত্র।
ঘ) শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও মার্কশীটের সিনিয়র কর্তৃক সত্যায়িত ফটোকপি (S.S.C, Degree এবং L.L.B)।
ঙ) সদ্য তোলা ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি যা বারের সেক্রেটারি অথবা সিনিয়র দারা সত্যায়িত হতে হবে।
চ) উপরোক্ত কাগজাদি ও তাহাতে বর্নিত তথ্যাদির সত্যতা সম্পর্কে নোটারী পাবলিক অথবা ১ম শ্রেনীর ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে সম্পাদিত হলফনামা (২০০/-টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে)।
ছ) এনরোলমেন্ট ফি বাবদ ১৫০০/-, পরীক্ষা ফি বাবদ ৭০০/- এবং বাতসরিক ফি বাবদ ২০০/- একুনে সর্বমোট ২৪০০/-টাকার ডি.ডি, পে-অডার বা পে-স্লিপের কপি।
জ) রেজিস্ট্রেশন ফরম বাবদ প্রদত্ত ৩৫০/-টাকার ডি.ডি, পে-অর্ডার বা পে-স্লিপের কপি।
★নোট:
একবার রেজিস্ট্রেশন করলে তার মেয়াদ থাকবে ৫ বছর।
★পরীক্ষাসমূহঃ
বার কাউন্সিলে পরীক্ষায় অংশগ্রহনের পর একজন প্রতিদ্বন্ধিকে ৩ টি পরীক্ষায় উর্ত্তিণ হতে হয়। যথা :
১) MCQ পরীক্ষা: MCQ পরীক্ষায় ১০০ টি প্রশ্ন দেয়া হয় যার মধ্যে কমপক্ষে ৫০ পেলে উত্তীর্ণ হওয়া যায়। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর যোগ হয় এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য .২৫ বিয়োগ হয়। পরীক্ষার সময় ১ ঘন্টা।
২) লিখিত পরীক্ষা: লিখিত পরীক্ষা হয় ১০০ নম্বরে যার মধ্যে উত্তীর্ণ হওয়া যায় ৫০ নম্বরে। সময় ৪ ঘন্টা,
৩) মৌখিক পরীক্ষা: মৌখিক পরীক্ষা ৫০ নম্বরে যার মধ্যে পাশ নম্বর ২৫।
★নোট: কোন প্রতিদ্বন্ধী MCQ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারে ১ বার। এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে পরপর তিনবার মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার সুযোগ আছে।
রেজিষ্ট্রেশন ফরমের সাথে যা যা প্রদান করতে হয়ঃ একজন শিক্ষানবীশকে আইনজীবী তালিকাভুক্তির জন্য বার কাউন্সিল নির্ধারিত রেজিষ্ট্রেশন ফরম পূরন করে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করতে হয়। বর্তমানে পে-অডার, ডি.ডি আথবা বার কাউন্সিল প্রদত্ত পে-স্লিপের মাধ্যমে ৪০০/- সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট শাখায় জমা দিয়ে উক্ত স্লিপের একটি অংশ বার কাউন্সিলে জমা দিয়ে বার কাউন্সিল থেকে সংগ্রহ করা যায়।
★রেজিষ্ট্রেশন ফরমের সাথে নিন্মোক্ত কাগজাদি সংযুক্ত করতে হয়-
ক) সিনিয়রের সাথে সম্পাদিত শিক্ষানবীশ চুক্তি পত্রটির (Contract of Pupillage) সমর্থনে ১ম শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা নোটারি পাবলিকের সামনে একটি হলফনামা (২০০/- টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে) সম্পাদন করতে হয়। [Rule-60,Sub-Rule-3(ii)]
খ) সিনিয়র কর্তৃক সত্যায়িত ৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
গ) রেজিস্ট্রেশন ফরম উত্তোলনের জন্য প্রদত্ত ৪০০/- টাকা ফি এর বার কাউনিাসল কপি বা পে-অর্ডার বা ডি.ডি।
ঘ) রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ প্রদত্ত ৮০০/- টাকার পে-অর্ডার, ডি.ডি অথবা বার কাউন্সিলের পে-স্লিপের অংশ।
ঙ) সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও মার্কশীটের ফটোকপি (সিনিয়র কর্তৃক সত্যায়িত)।
★নোট:
রেজিস্ট্রেশন ফরম বার কাউন্সিলে জমা দেয়ার পূর্বে সংযুক্ত কাগজাদি সহ ১টি ফটোকপি করে জমা গ্রহনকারি অফিসার থেকে “রিসিভ করা হয়েছে” মর্মে সাক্ষর করিয়া নিজের সংগ্রহে রাখতে হবে।
বার কাউন্সিল পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য আবেদনপত্র: শিক্ষানবীশ চুক্তির (Contract of Pupillage) মেয়াদ ৬ মাস পূর্ণ হলে একজন শিক্ষানবীশ আইনজীবী তালিকা ভুক্তির পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য আবেদন করতে পারে। উক্ত ফরমটির নাম “Application for Enrolment as Advocate” [Form-A] যা বার কাউন্সিলের আদেশরুল–৫৮ অনুযায়ী সম্পাদন করতে হয়। ফরমটি বর্তমানে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হতে বার কাউন্সিলের অনুকূলে পে-অর্ডার, ডি.ডি অথবা পে-স্লিপের মাধ্যমে ৩৫০/-টাকা জমা করে সংগ্রহ করা যায়।
★উক্ত ফরমটি পূরন করে নিম্ন বর্নিত কাগজাদি সহ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর জমা দিতে হয়-
ক) রুল-৬০ অনুযায়ি ফরম-তে ৬ মাস শিক্সানবীশকাল সমাপ্ত হইয়াছে এই মর্মে সিনিয়র (Pupil Master) প্রদত্ত সার্টিফিকেট। সার্টিফিকেটটি কার্টিজ পেপারে প্রদত্ত হয়।
খ) কার্টিজ পেপারে ৫টি দেওয়ানী ও ৫টি ফৌজদারী মামলার তালিকা যে মামলাগুলো পরিচালনার সময় সিনিয়রের সাথে শিক্ষানবীশ আইনজীবী উপস্হিত ছিলেন।
গ) ২ জন বিশিষ্ট ব্যাক্তি কর্তৃক প্রদত্ত চারিত্রিক প্রশংসাপত্র।
ঘ) শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও মার্কশীটের সিনিয়র কর্তৃক সত্যায়িত ফটোকপি (S.S.C, Degree এবং L.L.B)।
ঙ) সদ্য তোলা ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি যা বারের সেক্রেটারি অথবা সিনিয়র দারা সত্যায়িত হতে হবে।
চ) উপরোক্ত কাগজাদি ও তাহাতে বর্নিত তথ্যাদির সত্যতা সম্পর্কে নোটারী পাবলিক অথবা ১ম শ্রেনীর ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে সম্পাদিত হলফনামা (২০০/-টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে)।
ছ) এনরোলমেন্ট ফি বাবদ ১৫০০/-, পরীক্ষা ফি বাবদ ৭০০/- এবং বাতসরিক ফি বাবদ ২০০/- একুনে সর্বমোট ২৪০০/-টাকার ডি.ডি, পে-অডার বা পে-স্লিপের কপি।
জ) রেজিস্ট্রেশন ফরম বাবদ প্রদত্ত ৩৫০/-টাকার ডি.ডি, পে-অর্ডার বা পে-স্লিপের কপি।
★নোট:
একবার রেজিস্ট্রেশন করলে তার মেয়াদ থাকবে ৫ বছর।
★পরীক্ষাসমূহঃ
বার কাউন্সিলে পরীক্ষায় অংশগ্রহনের পর একজন প্রতিদ্বন্ধিকে ৩ টি পরীক্ষায় উর্ত্তিণ হতে হয়। যথা :
১) MCQ পরীক্ষা: MCQ পরীক্ষায় ১০০ টি প্রশ্ন দেয়া হয় যার মধ্যে কমপক্ষে ৫০ পেলে উত্তীর্ণ হওয়া যায়। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর যোগ হয় এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য .২৫ বিয়োগ হয়। পরীক্ষার সময় ১ ঘন্টা।
২) লিখিত পরীক্ষা: লিখিত পরীক্ষা হয় ১০০ নম্বরে যার মধ্যে উত্তীর্ণ হওয়া যায় ৫০ নম্বরে। সময় ৪ ঘন্টা,
৩) মৌখিক পরীক্ষা: মৌখিক পরীক্ষা ৫০ নম্বরে যার মধ্যে পাশ নম্বর ২৫।
★নোট: কোন প্রতিদ্বন্ধী MCQ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারে ১ বার। এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে পরপর তিনবার মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার সুযোগ আছে।
দেওয়ানী মামলায় পক্ষগণের গর-হাজিরার পরিনাম কি ?
বিধি-১: বিবাদীর হাজিরা ও জবাব দানের জন্য সমনে নির্ধারিত তারিখে পক্ষগণের হাজির হইতে হইবে।-
বিবাদীর উপস্থিতির এবং জবাব দানের জন্য সমনে নির্ধারিত দিন পক্ষগণ স্বয়ং
কিংবা তাহাদের নিজ নিজ উকিলের মাধ্যমে বিচারালয়ে হাজির দিবেন, এবং অত:পর
আদালত কর্তৃক ভবিষ্যতের কোন দিন পর্যন্ত মামলার শুনানী মুলতবী না হইলে সেই
দিন মামলার শুনানী সংগঠিত হইবে।
বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হইলে মোকদ্দমা খারিজ হইবে।–মোকদ্দমার শুনানীর জন্য ডাক পড়িলে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তাহা হইলে আদালত মামলা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করিতে পারিবে।
বিধি-৬: শুধুমাত্র বাদী হাজির হইলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
(১) যেই ক্ষেত্রে মামলার শুনানীর জন্য ডাক পড়িলে বাদী হাজির হয়, এবং বিবাদী হাজির হয় না, সেক্ষেত্রে-
(ক) যখন সমন যথারীতি জারি হইয়া থাকে: যদি প্রমাণীত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হইয়াছে, তবে আদালতএকতরফা বিচার করিতে পারিবেন;
(খ) যখন সমন যথারীতি জারি না হইয়া থাকে: যদি
প্রমাণীত না হয় যে, সমন যথারীতি জারি হইয়াছে, তা হইলে আদালত বিবাদীর উপর
দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করিবেন;
(গ) যেই ক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারি হয়, কিন্তু
উপযুক্ত সময়ের মধ্যে নহে: যদি প্রমাণীত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হইয়াছে,
বিবাদীকে সমনে নির্দিষ্ট দিনে হাজির হইয়া জবাব দেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময়
প্রদান করা হয়নাই। তবে আদালত পরবর্তী কোন নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মামলার
শুনানী মূলতবী রাখিবে এবং বিবাদীর উক্ত তারিখ জানাইবার জন্য নির্দেশ প্রদান
করিবে।
(২) যদি বাদীর ত্রুটির জন্য সমন জারি না হয়, অথবা
পর্যাপ্ত সময়ে জারি না হইলে আদালত মামলার শুনানী স্থগিত রাখার দরুন যে খরচ
হইবে, তাহা বাদীর বহন করার আদেশ দান করিবে।
বিধি-৭: যেই ক্ষেত্রে মূলতবী শুনানীর দিন বিবাদী হাজির হয় এবং পূর্বে হাজির না হওয়ার উত্তম কারণ দর্শায়, সেই ক্ষেত্রে পদ্ধতি: যেই
ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার শুনানী একতরফাভাবে মূলতবী করিয়াছে এবং বিবাদী
সেই শুনানীর সময় অথবা পূর্বে উপস্থিত হয় এবং তাহার পূর্ব অনুপস্থিতির জন্য
উত্তম কারণ দর্শায়, সেই ক্ষেত্রে খরচ বা অন্য বিষয় সম্পর্কে আদালত
নির্দেশিত শর্তে বিবাদী তাহার উপস্থিতির জন্য নির্দিষ্ট দিনে তিনি উপস্থিত
হইয়াছিলেন এইরূপ গণ্যে মামলায় জবাব দাখিল করিয়া উহার শ্রবণ করাইতে পারে।
বিধি-৮: কেবল বিবাদী হাজির হইয়া থাকিলে সেই ক্ষেত্রে পদ্ধতি: যেই
ক্ষেত্রে মামলার শুনানীর জন্য ডাক পড়িলে যদি বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী
হাজির না হয়, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবি বা উহার অংশ স্বীকার না
করিলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করিবেন, কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর
দাবি অথবা উহার অংশ স্বীকার না করে, তবে আদালত সেই অনুপাতে বিবাদীর
বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করিবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মামলা খারিজ
করিবেন।
বিধি-১৩: বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফাভাবে ডিক্রি রদকরণ: কোন
মামলায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হইয়া থাকিলে, উহা রদ
করার জন্য বিবাদী ডিক্রিদানকারী আদালতে আবেদন করিতে পারিবে এবং যদি এই
ক্ষেত্রে বিবাদী সন্তোষজনকরূপে প্রমাণ করিতে পারে যে, যথারীতি সমন জারি করা
হয় নাই, অথবা যখন মামলাটি শুনানীর জন্য ডাক পড়িয়াছে, তখন সে কোন উপযুক্ত
কারণে হাজির হওয়া হইতে বাধাপ্রাপ্ত হইয়াছিল, তাহা হইলে আদালত মামলার খরচ
আদালতে শোধ কিংবা অপর কোন শর্তে, যাহা উপযুক্ত মনে করা হয়, ডিক্রিটি রদ
করিয়া আদেশ দিবে এবং মামলার র্কাযপদ্ধতি পরিচালনার নিমিত্তে একটি তারিখ
নির্দিষ্ট করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি যদি এইরূপ ধরনের হয়ে যে,
উহা শুধুমাত্র আবেদনকারী বিবাদীর উপর হইতে রদ করা যাইবেনা, সেক্ষেত্রে
অন্যান্য সকল অথবা যেই কোন বিবাদীর বিরুদ্ধেও রদ করা যাইবে।
দেওয়ানী মামলায় পক্ষগণের গর-হাজিরার পরিনাম কি ?
বিধি-১: বিবাদীর হাজিরা ও জবাব দানের জন্য সমনে নির্ধারিত তারিখে পক্ষগণের হাজির হইতে হইবে।-
বিবাদীর উপস্থিতির এবং জবাব দানের জন্য সমনে নির্ধারিত দিন পক্ষগণ স্বয়ং
কিংবা তাহাদের নিজ নিজ উকিলের মাধ্যমে বিচারালয়ে হাজির দিবেন, এবং অত:পর
আদালত কর্তৃক ভবিষ্যতের কোন দিন পর্যন্ত মামলার শুনানী মুলতবী না হইলে সেই
দিন মামলার শুনানী সংগঠিত হইবে।
বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হইলে মোকদ্দমা খারিজ হইবে।–মোকদ্দমার শুনানীর জন্য ডাক পড়িলে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তাহা হইলে আদালত মামলা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করিতে পারিবে।
বিধি-৬: শুধুমাত্র বাদী হাজির হইলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
(১) যেই ক্ষেত্রে মামলার শুনানীর জন্য ডাক পড়িলে বাদী হাজির হয়, এবং বিবাদী হাজির হয় না, সেক্ষেত্রে-
(ক) যখন সমন যথারীতি জারি হইয়া থাকে: যদি প্রমাণীত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হইয়াছে, তবে আদালতএকতরফা বিচার করিতে পারিবেন;
(খ) যখন সমন যথারীতি জারি না হইয়া থাকে: যদি
প্রমাণীত না হয় যে, সমন যথারীতি জারি হইয়াছে, তা হইলে আদালত বিবাদীর উপর
দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করিবেন;
(গ) যেই ক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারি হয়, কিন্তু
উপযুক্ত সময়ের মধ্যে নহে: যদি প্রমাণীত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হইয়াছে,
বিবাদীকে সমনে নির্দিষ্ট দিনে হাজির হইয়া জবাব দেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময়
প্রদান করা হয়নাই। তবে আদালত পরবর্তী কোন নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মামলার
শুনানী মূলতবী রাখিবে এবং বিবাদীর উক্ত তারিখ জানাইবার জন্য নির্দেশ প্রদান
করিবে।
(২) যদি বাদীর ত্রুটির জন্য সমন জারি না হয়, অথবা
পর্যাপ্ত সময়ে জারি না হইলে আদালত মামলার শুনানী স্থগিত রাখার দরুন যে খরচ
হইবে, তাহা বাদীর বহন করার আদেশ দান করিবে।
বিধি-৭: যেই ক্ষেত্রে মূলতবী শুনানীর দিন বিবাদী হাজির হয় এবং পূর্বে হাজির না হওয়ার উত্তম কারণ দর্শায়, সেই ক্ষেত্রে পদ্ধতি: যেই
ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার শুনানী একতরফাভাবে মূলতবী করিয়াছে এবং বিবাদী
সেই শুনানীর সময় অথবা পূর্বে উপস্থিত হয় এবং তাহার পূর্ব অনুপস্থিতির জন্য
উত্তম কারণ দর্শায়, সেই ক্ষেত্রে খরচ বা অন্য বিষয় সম্পর্কে আদালত
নির্দেশিত শর্তে বিবাদী তাহার উপস্থিতির জন্য নির্দিষ্ট দিনে তিনি উপস্থিত
হইয়াছিলেন এইরূপ গণ্যে মামলায় জবাব দাখিল করিয়া উহার শ্রবণ করাইতে পারে।
বিধি-৮: কেবল বিবাদী হাজির হইয়া থাকিলে সেই ক্ষেত্রে পদ্ধতি: যেই
ক্ষেত্রে মামলার শুনানীর জন্য ডাক পড়িলে যদি বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী
হাজির না হয়, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবি বা উহার অংশ স্বীকার না
করিলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করিবেন, কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর
দাবি অথবা উহার অংশ স্বীকার না করে, তবে আদালত সেই অনুপাতে বিবাদীর
বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করিবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মামলা খারিজ
করিবেন।
বিধি-১৩: বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফাভাবে ডিক্রি রদকরণ: কোন
মামলায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হইয়া থাকিলে, উহা রদ
করার জন্য বিবাদী ডিক্রিদানকারী আদালতে আবেদন করিতে পারিবে এবং যদি এই
ক্ষেত্রে বিবাদী সন্তোষজনকরূপে প্রমাণ করিতে পারে যে, যথারীতি সমন জারি করা
হয় নাই, অথবা যখন মামলাটি শুনানীর জন্য ডাক পড়িয়াছে, তখন সে কোন উপযুক্ত
কারণে হাজির হওয়া হইতে বাধাপ্রাপ্ত হইয়াছিল, তাহা হইলে আদালত মামলার খরচ
আদালতে শোধ কিংবা অপর কোন শর্তে, যাহা উপযুক্ত মনে করা হয়, ডিক্রিটি রদ
করিয়া আদেশ দিবে এবং মামলার র্কাযপদ্ধতি পরিচালনার নিমিত্তে একটি তারিখ
নির্দিষ্ট করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি যদি এইরূপ ধরনের হয়ে যে,
উহা শুধুমাত্র আবেদনকারী বিবাদীর উপর হইতে রদ করা যাইবেনা, সেক্ষেত্রে
অন্যান্য সকল অথবা যেই কোন বিবাদীর বিরুদ্ধেও রদ করা যাইবে।
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে কোন কোন ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হন !
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে কোন কোন ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হন !
(১) যদি কোন অংশীদার মৃত ব্যক্তির সাথে অন্যের মাধ্যমে সম্পর্কিত হয় তবে ঐ ব্যক্তির জীবদ্দশায় সংশ্লিষ্ট উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির অংশ পাবেনা। উত্তরাধীকার আইনের সাধারণ নিয়মে বাদ যাবে।
(২) রক্তের নিকটতম সম্পর্কের ক্ষেত্রে-“রক্তের
নিকটতম আত্মীয় দূরবর্তী আত্মীয়কে বহির্ভূত করে। এই নিয়মে কোন ব্যক্তি তার
পিতা এবং পিতামহ রেখে মারা গেলে পিতামহ পিতার দ্বারা বহির্ভূত হন অর্থাৎ
উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির কোন অংশ পাননা।
(৩) যার সম্পত্তি বিভাজিত হবে তিনি যদি এমন কোন
ব্যক্তির দ্বারা খুন হন যিনি তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী সেক্ষেত্রে খুনি
ব্যক্তি তার সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।
(৪) ইসলাম র্ধম পরিত্যাগ করলে মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে একজন ব্যক্তি উত্তরাধিকার বঞ্চিত হতে পারেন।
(৫) স্বামী কর্তৃক পরিত্যক্ত স্ত্রী অর্থাৎ তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তিতে উত্তারধিকারী হন না।
Subscribe to:
Posts (Atom)
বিদেশ থেকে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়া
এই জন্য অন্তত ১ দিনের জন্য হলেও husband k বাংলাদেশে আসতে হবে বাংলাদেশে এসে কাজী অথবা একজন আইনজীবীর কাছে যেতে হবে, সেখানে গিয়ে তার স্ত্...
-
মুচলেকা কি (what is bond) ? কেউ অপরাধ করলে তাকে শাস্তি পেতে হবে, এটা আইনের বিধান। তবে কোন অপরাধ সংঘটনের পুর্বেই যদি কোন ব্যক্তিকে তা থেক...
-
দোকান ভাড়া দেয়া এবং নেয়ার ক্ষেত্রে চুক্তিপত্র থাকা আবশ্যক দোকান ভাড়া দেয়া এবং নেয়ার ক্ষেত্রে চুক্তিপত্র থাকা আবশ্যক। এক্ষেত্রে দোকানের মা...
-
ওয়ারিশ সনদ কেন দরকার? সনদটি উত্তরাধিকারগণকে তাদের নামে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরিত আছে কিনা, বা উত্তরাধিকার যোগ্য কতটুকু সম্পদ আছে তা সত্যায়...